বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:৩৬ অপরাহ্ন
বরিশাল:
কঠোর লকডাউনের শেষদিনে এসে জরুরী ও পণ্যপরিবহনে নিয়োজিত যানবাহনের পাশাপাশি রিক্সা,ব্যাটারিচালিত রিক্সা,অটোরিক্সা,সিএনজি, মাহিন্দ্রাসহ সকল ধরনের থ্রি-হুইলার, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত যানবাহনের চলাচল বেড়েছে। সেইসাথে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচলও বেড়েছে। নগর ও জেলার প্রধান প্রধান সড়কের বিশেষ বিশেষ স্থানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর চেকপোষ্ট থাকলেও, কার্যক্রমে ছিলো ঢিলেঢালাভাব। দুপুরের দিকে বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ বিআরটিসি বাস সংলগ্ন সড়কে ঢাকামুখী মানুষের আনাগোনা ছিলো চোঁখে পড়ার মতো। সেখান থেকে মোটরসাইকেলের পাশাপাশি সিএনজিতে মাওয়ার উদ্দেশ্যে যাত্রীদের রওয়ানা দিতে দেখা গেছে। অনেককেই কাধে ব্যাগ নিয়ে সড়কের পাশে দাড়িয়ে ঢাকামুখী পিকআপ, ট্রাক ও কাভার্ডভ্যানকে সিগন্যাল দিতে দেখা গেছে। কোন কোন চালক গাড়ি থামিয়ে তাদের সাথে কথা বলছেন, আবার কেউ সজোরে চালিয়ে যাচ্ছেন। সেলিম নামে একজন যাত্রী জানান,কর্মস্থল বন্ধ থাকায় কঠোর লকডাউনের শুরুতে তিনি গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। কিন্তু এখন জরুরী প্রয়োজনে আবার ঢাকায় যেতে হচ্ছে। তাই বাসা থেকে নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল থেকে এসেছেন। এখান থেকে মাওয়া ’র উদ্দেশ্যে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করছেন। একজন মিনি পিকআপ চালকের সাথে কথা হয়েছিলো তিনি ১২ শত টাকা চেয়েছেন। আর একজন মোটরসাইকেল চালক চাইলেন দেড় হাজার। এখন একজন সিএনজি চালক চাইছেন ৭ শত টাকা। তবে তিনি আরো ৩ জন যাত্রী হলে যাবেন। এদিকে আছিয়া বেগম নামে এক নারী জানান,দ্বিগুন ভাড়া দিয়ে বানারিপাড়া টেম্পুস্ট্যান্ড থেকে মাহিন্দ্রায় গড়িয়ারপার পর্যন্ত কোন বাধা ছাড়াই এসেছেন। কিন্তু এরপর পুলিশের চেকপোষ্ট থাকায় পায়ে হেটে খানিকপথ এসে আবার অটোরিক্সায় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল পর্যন্ত এসেছেন। আবার অনেকেই নগরের অভ্যন্তরীন সড়ক হয়ে শহরতলীর বিভিন্ন স্থানে থ্রি-হুইলারে চেপে যাচ্ছেন। এদিকে আজ সকালেও বরিশাল নগরে জেলা প্রশাসনের তিনটি মোবাইল কোর্ট লকডাউন বাস্তবায়নে অভিযান চালিয়েছে।